প্রকাশিত: ১০:০৭ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৯, ২০২৩
ছবিতে জুয়েল মোল্লা
ইউএস বাংলা বার্তা ডেস্কঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে স্ত্রীর করা যৌতুক মামলায় জুয়েল মোল্লা (২৫) নামের এক পুলিশ সদস্যকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এ সময় এ মামলায় অপর তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক অনুশ্রী রায় এ আদেশ দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত ওই পুলিশ সদস্য কাশিয়ানী উপজেলার জোতকুরা গ্রামের আজাহার মোল্লার ছেলে।
তিনি মাদারীপুর পুলিশ লাইনসে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন কাশিয়ানীর জোতকুরা গ্রামের আজাহার মোল্লার ছেলে জসিম মোল্লা, ছয়জুদ্দিন মোল্লার ছেলে আজাহার মোল্লা ও সদর উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের শহীদ মোল্লার ছেলে সোহেল মোল্লা।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালে বাদী সাইমা আক্তার সীমার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে চাকরির কথা বলে তিন লাখ টাকা নেন জুয়েল। পরে ওই বছরেই পুলিশে চাকরি হওয়ার পর ট্রেনিংয়ে যাওয়ার আগে শরিয়াহ কাবিনমূলে সাইমা আক্তার সীমাকে বিয়ে করেন তিনি।
পরের বছর বাদী সীমা কাবিনের জন্য চাপ দিলে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন জুয়েল। বাদী যৌতুক দিতে রাজি না হলে পুলিশ সদস্য জুয়েল শরিয়াহমূলে বিয়ের কথা অস্বীকার করেন। এ ঘটনায় বাদী ২০১৭ সালের ৬ জুলাই বাদী গোপালগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে মামলা দায়ের করেন।
পরে ২০২০ সালে মামলার ভয়ে বাদীকে ঘরে তোলার প্রলোভন দেখিয়ে বাদীর কাছে আবারও ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন জুয়েল।
যৌতুক না পেলে তাকে ঘরে তুলবেন না বলে জানিয়ে দেন।
পরে গোপালগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কাশিয়ানী থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে চারজনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত পুলিশ সদস্য জুয়েল মোল্লাকে এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন এবং তিনজনকে খালাস দেন।
মামলার বাদী সাইমা আক্তার সীমা বলেন, ‘আমার সাথে প্রথমে প্রতারণা করে তিন লাখ টাকা নেয়।
পরে আমাকে শরিয়াহমূলে বিয়ে করে। পরে সে অস্বীকার করলে আমি আদালতে মামলা দায়ের করি। পরে আমাকে বাড়িতে নেবে বলে আবার আমার কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে। পরে মামলাটি আদলত আমলে নিয়ে বিচারকার্য শুরু করেন। আজ আসামিকে এক বছরের সাজা দিয়েছেন আদালত। আমি এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছি।’
বাদীপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক খান খোকন বলেন, ‘ওই পুলিশ সদস্য প্রত্যেক বিষয়ে প্রতারণা করেছেন। এক বছর সাজা কম হলেও দৃষ্টান্ত হয়েছে। কারণ সাজা না হলে অন্য আসামিরা এ কাজে উৎসাহিত হবে। আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। আমরা এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করছি।
সুত্রঃ কালের কন্ঠ
নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক – তৌফিকুল আম্বিয়া টিপু
বার্তা সম্পাদক- হুমায়ূন কবীর ফরীদি
বাংলাদেশ কার্যালয়- কলকলিয়া বাজার, জগন্নাথপুর, সুনামগন্জ।
প্রধান কার্যালয়- ৮২৪ মেইন স্রীট, মেনচেষ্টার, কানেকটিকাট- ০৬০৪০, যুক্তরাষ্ট্র।
ফোনঃ ০১৭১৭৯৩১৬৫৮(বিডি) +১৮৬০৭৯৬৭৮৮৮(ইউএসএ)
ইমেইলঃ usbanglabarta@gmail.com
Design and Developed by Web Nest