হুমায়ূন কবীর ফরীদি ##
পাগলা -জগন্নাথপুর -আউশকান্দী আঞ্চলিক মহাসড়ক এর কাটাগাঙ্গ নদীর উপর উপরের বেইলি ব্রীজ ভেঙে যাওয়ার ৭ দিন পর যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। এতে করে জনমনে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
২৯ শে আগষ্ট রোজ মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় ও জানাযায়, বিগত ২২ শে আগষ্ট রোজ মঙ্গলবার বিকাল প্রায় ৩ টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানী শহর ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর বাজারগামী মালবাহী একটি ট্রাক পাগলা – জগন্নাথপুর -আউশকান্দী ( আব্দুস সামাদ আজাদ সড়ক (আর-২৪১) আঞ্চলিক মহাসড়কের সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ইছগাঁও নামক এলাকায় কাটাগাঙ্গ নদীর উপর অবস্থিত স্টীল ব্রীজের উপর উঠা মাত্রই ব্রীজটি ভেঙে এই ট্রাকটি নদীতে পড়ে ট্রাক এবং ট্রাক চালক সহ ২ জন নিহত হন। এতে করে এই সড়ক দিয়ে সরাসরি যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। জগন্নাথপুর তথা সুনামগঞ্জবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে পড়েন। জনদুর্ভোগ লাগবে এই দুর্ঘটনার পর অর্থাৎ ২৪ শে আগষ্ট থেকে সুনামগঞ্জ সওজ এর লোকজন স্টীল ব্রীজের মেরামত কাজ শুরু করেন। এবং ২৯ শে আগষ্ট রোজ মঙ্গলবার মেরামত কাজ সম্পন্ন করে যানবাহন চলাচলের সুযোগ করে দিয়েছেন। টানা এক সপ্তাহ পর এই সড়ক দিয়ে সরাসরি যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে। এ সড়ক দিয়ে পায়ে হেঁটে ও যানবাহনে চলাচলকারী জনসাধারণ এর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে এই স্টীল ব্রীজের উপর দিয়ে ভারী যানবাহন পারাপার এর ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে চালকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন সওজ কর্তৃপক্ষ।
এব্যাপারে একাধিক পথচারী স্থানীয় লোকজন, যানবাহন চালক ও যাত্রী সাধারণ তাদের অভিপ্রায় ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, জীবন জীবিকার তাগিদে এই ব্রীজের উপর দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করছি। এই সড়ক দিয়ে যানবাহনে হাজার হাজার মানুষ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দৈনিন্দন কাজে যাতায়াত করে থাকেন। এই ব্রীজটি এবার নিয়ে তিনবার ভাঙ্গনের মূখে পড়লো। বারবার দায়সারা মেরামত কাজ করা হয়েছে। এবারও তাই। বিদায় জানমালের নিরাপত্তার স্বার্থে ব্রীজটি নতুনভাবে নির্মাণ করার জন্য মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করছি।
এবিষয়ে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল ইসলাম প্রামাণিক বলেন, কাটাগাঙ্গ নদীর উপরের ভেঙে যাওয়া স্টীল ব্রীজটি মেরামত করে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ভারী যানবাহন চলাচল এর ক্ষেত্রে ব্রীজের উভয় পার্শ্বে সতর্কতা মূলক সাইনবোর্ড সাটানো আছে।