জগন্নাথপুরে ঘুংগিয়ারগাঁও গ্রামের সড়কের করুন দশা, জনসাধারণের ভোগান্তি

প্রকাশিত: ১১:০০ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১, ২০২৩

জগন্নাথপুরে ঘুংগিয়ারগাঁও গ্রামের সড়কের করুন দশা, জনসাধারণের ভোগান্তি

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জগন্নাথপুরের ঘুংগিয়ারগাঁও গ্রামের প্রায় দেড় কিলোমিটার দুরত্বের একমাত্র সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহন ও পায়ে হেটে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। যার ফলশ্রুতিতে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে পড়েছেন স্কুল- কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষক -শিক্ষার্থী সহ বিপুল জনগোষ্ঠী। প্রায় সময়ই ঘটছে ছোটখাটো দুর্ঘটনা। জনস্বার্থে দ্রুততার সহিত এই সড়কের সংস্কাকাজ করতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেছেন গ্রামবাসী।

১ লা আগষ্ট রোজ মঙ্গলবার  সরেজমিনে ঘুরে দেখাযায় ও জানা গেছে, বিগত ১৯৯৫ সালে  স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর অর্থায়নে ও কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের  বাস্তবায়নে সুনামগঞ্জের   জগন্নাথপুর – পাগলা সড়কের ডাউকা নদীর উপর এর স্টীল ব্রীজের জগন্নাথপুর অংশে ব্রীজের এ্যপ্রোচের পাশ থেকে পূর্ব দিয়ে ঘুংগিয়ারগাঁও গ্রামবাসীর দেড় কিলোমিটার দুরত্বের একমাত্র  সড়কটিতে মাটি ভরাট এর কাজ হয়। পরবর্তীতে ক্রমান্বয়ে গ্রামীণ এই সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে গিয়ে ও বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়ে পায়ে হেঁটে ও যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রে  অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে করে ঘুংগিয়ারগাঁও গ্রামবাসী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার এর আশ্রয়ন প্রকল্পে বসবাসকারী বিপুল জনগোষ্ঠী ভোগান্তির শিকার হয়ে পড়েছেন। দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরেও এই সড়কের সংস্কার কাজ হয়নি। যার ফলশ্রুতিতে এই গ্রাম দুটির বিপুল জনগোষ্ঠীর একমাত্র যাতায়াতের এ সড়ক দিয়ে হেমন্ত মৌসুমে মালামাল নিয়ে কষ্টের মধ্য দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করেন। বর্ষা মৌসুমে সড়কের গর্ত গুলো কাদা-পানিতে একাকার হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনার সম্মূখীন হতে হচ্ছে । চলতি বর্ষা মৌসুমে সড়কের বেহাল দশা প্রকট আকার ধারণ করেছে।   জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনসাধারণ চলাফেরা করছেন। এমনকি স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষক -শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে পড়েছেন। বিধায় জনস্বার্থে এই গ্রামীণ সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানিয়েছন এলাকাবাসী।

এব্যাপারে ঘুংগিয়ারগাঁও গ্রাম নিবাসী ফারুক, জিতেন্দ্র দেবনাথ, কবিন্দ্র দেবনাথ, জফু মিয়া ও  আশ্রয়ন প্রকল্প নিবাসী সুনীল কর্মকার, নূর মিয়া সহ একাধিক ব্যক্তি  একান্ত আলাপকালে বলেন, জীবন জীবিকার তাগিদে বিগত প্রায় ২০/২৫ বছর ধরে এই ভাঙা-ছোড়া সড়ক দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। দৈনন্দিন কাজে এই সড়ক দিয়ে স্কুল -কলেজ ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষক /শিক্ষার্থীরা সহ দুই /তিন হাজার জনসাধারণ প্রতিনিয়ত চলাচল করে থাকেন। প্রায়ই ছোট-খাটো দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছি। এক কথায় দীর্ঘদিন ধরে আমরা সর্বসাধারণ চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে দিনাতিপাত অতিক্রম করছি। তাই সড়কটি দ্রুত সংস্কারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার সুনজর কামনা করছি।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ