দখলকৃত নদী ও খাল উদ্ধার করে আগের রূপে ফিরিয়ে আনা হবে- শান্তিগঞ্জে মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ এমপি

প্রকাশিত: ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২৬

দখলকৃত নদী ও খাল উদ্ধার করে আগের রূপে ফিরিয়ে আনা হবে- শান্তিগঞ্জে মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ এমপি

স্টাফ রিপোর্টারঃ

সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশের রাখাল রাজা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তম কৃষকদের কথা চিন্তা করে প্রথম খাল খনন কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন। তাঁহারই সুযোগ্য পুত্র বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর নেতৃত্বাধীন বিএনপির সরকার সেই ধারা অব্যাহত রেখে খাল খনন ও নদী খনন কর্মসূচির সূচনা করেছে। যা আজ আমরা উদ্বোধন করেছি। তবে নদী ও খাল খনন করতে অনেক বেগ পোহাতে হবে। কারণ অনেকে নদী ও খাল ভরাট হওয়ার ফলে অনেকে দখল করে নিয়েছেন। সেগুলোকে বের করে আনতে হবে। এবং খনন করে নদী ও খাল আগের রূপে ফিরিয়ে আনতে হবে। কেননা নদী ও খাল ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে ফসলের অনেক ক্ষতি হচ্ছে পানি শূন্যতা ও আগাম বন্যা বছরে বছরে দেখা দিচ্ছে। নদী ও খাল খনন করলে আমরা অনেক লাভবান হবো। একদিকে যেমন মাটি দিয়ে চলাচলের সড়ক তৈরি করা সম্ভব, অন্যদিকে বৃক্ষরোপণ করে সবুজ বনায়নও সম্ভব। বর্ষায় মৎস্যজীবীরা মাছও আহরণ করার নতুন ক্ষেত্র পাবেন। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ খাল খননের সুফল ভোগ করবে। এ জন্য খাল খনন অতি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি বলেন, অনেক নদী এবং খাল বেদখল হয়েছে, খাল উদ্ধারে সরকারের পাশাপাশি সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন ।
৬ই মার্চ রোজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪ টায় শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত আক্তাপাড়া বড় হাওরের ধরের বন্দ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলো বলেছেন জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ।
খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে আরোও উপস্থিত ছিলেন, শান্তিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহজাহান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম ও দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুফি মিয়া সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ