জগন্নাথপুরে “অরনামেন্টাল চিলি” এর চারাগাছ বিক্রির ধুম

প্রকাশিত: ৮:২৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৪

জগন্নাথপুরে “অরনামেন্টাল চিলি” এর চারাগাছ বিক্রির ধুম

হুমায়ূন কবীর ফরীদি##

জগন্নাথপুরের হাট-বাজারে Ornamental chili অর্থাৎ বাহারী জাতের মরিচ এর চারাগাছ বিক্রির ধুম পড়েছে। বাজারে আসা সৌখিন মানুষজন ভেনগাড়ী ভর্তি এই চারাগাছ ও ফলবান গাছ ক্রয় ক্রয় করছেন। এই মরিচ গাছ বাসাবাড়ীর সৌন্দর্য বর্দ্ধন এর পাশা-পাশি তরকরীতেও খাওয়া যায় বলে জানা গেছে।
১৬ ই ফেব্রুয়ারী রোজ শুক্রবার বাদ জুম্মা সরেজমিনে দেখা যায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ইনাতগঞ্জ বাজার পার্শ্ববর্তী আলী নার্সারীর মালিক ইনাতগঞ্জ দিঘীরপাড় নিবাসী আলী হোসেন কলকলিয়া বাজারে ভেনগাড়ীতে করে নিয়ে আসা Ornamental chili অর্থাৎ বাহারী জাতের মরিচ এর চারাগাছ ও ফলবান গাছ বিক্রি করছেন। একটি গাছে লাল,নীল,সবুজ, বেগুনী ও হলুদ রঙের গোল এবং লম্বা মরিচ থাকায় ক্রেতা সাধারণ বাড়ীর সৌন্দর্য বর্দ্ধন এর পাশা-পাশি তরকারীতে খাওয়ার নিমিত্তে এই মরিচ এর গাছ দরদাম কষাকষি করে ক্রয় করছেন। প্রতিটি গাছ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই মরিচে ঝাঁঝ কিংবা জাল যা-ই বলা হউক কম হলেও মরিচ রংবেরঙের হওয়ায় তরকারির সৌন্দর্য বাড়ায়। বাড়ীর ছাদে কিংবা আঙ্গিনায় সুন্দর দেখায়।
এ ব্যাপারে এই মরিচ গাছ ক্রয়কারী রাজীব পাশা, সুহেল ও বারীক মিয়া সহ একাধিক ক্রেতা তাদের অভিপ্রায় ব্যাক্ত করতে গিয়ে বলেন, অরনামেন্টাল মরিচ এর একটি গাছে বিভিন্ন রংয়ের ও আকারের অর্থাৎ গোল, লম্বা ও কামরাঙ্গার মতো মরিচ ধরে। ঘরের বারান্দার সামনে কিংবা ছাদে লাগালে বাড়ীর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়। দেখতে মনে হয় ফুলবাগান। এই মরিচে ঝাঁঝ কম হলেও তরকারি দেখতে সুন্দর লাগে।
এবিষয়ে এই মরিচের গাছ বিক্রেতা আলী নার্সারীর মালিক আলী হোসেন একান্ত আলাপকালে আজকের বসুন্ধরা পত্রিকাকে বলেন, অরনামেন্টাল মরিচ এর এক গাছে বিভিন্ন রংয়ের ও আকারের মরিচ ধরে। বাড়ীর সৌন্দর্য বর্দ্ধন এর পাশাপাশি তরকারীতেও খাওয়া যায়। মরিচ এর ঝাঁঝ কম হলেও তরকারির সৌন্দর্য বাড়ায়। এই মরিচ বারোমাস গাছে ধরে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, অন্যান্য মরিচ এর ছেয়ে এই মরিচ এর চারাগাছ ও ফলবান গাছ বিক্রি ভালোই হচ্ছে। এই মরিচ গাছ ক্রয় করতে ও দেখত প্রতিনিয়ত নার্সারিতে প্রচুর জনসমাগম ঘটে। বেচা-বিক্রি যা-ই হউক মানুষের আগমনে ভালো লাগে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ