হুমায়ূন কবীর ফরীদি ##
জগন্নাথপুরে চোরাইকৃত ৯টি গরু উদ্ধার সহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ইরন মিয়া(৪৫) কে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

স্থানীয় ও থানা সুত্রে জানাযায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত হাছন ফাতেমাপুর গ্রাম নিবাসী মোঃ তছর আলীর ছেলে মোঃ নূর উদ্দিন এর বসত বাড়ীর গোয়াল ঘর হইতে বিগত ৩ রা ফেব্রুয়ারী রাত ১ টা ৩০ মিনিট হতে সকাল ৮ ঘটিকার মধ্যে যেকোনো এক সময়ে চোর/চোরেরা তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। এবিষয়ে চুরি যাওয়া গরুর মালিক মোঃ নূর উদ্দিন বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় চোরদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তার দায়েরকৃত এজাহারের প্রেক্ষিতে জগন্নাথপুর থানার মামলা নং- ০৬, তাং- ০৮/০২/২০২৪, ধারা- ৪৫৭/৩৮০/৪১১/৪১৩ পেনাল কোড রুজু হয়। এই মামলার পরিপেক্ষিতে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম এর দিক নির্দেশনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অত্র থানার এসআই মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ৮ ই ফেব্রুয়ারী বিকাল প্রায় ৫ ঘটিকার সময় জগন্নাথপুর উপজেলার উত্তর গড়গড়ি গ্রাম নিবাসী আতিক মিয়ার বসত বাড়ীর গোয়াল ঘর হইতে বাদী মোঃ নূর উদ্দিন এর চুরি যাওয়া তিনটি গরুর মধ্যে ২টি গরু উদ্ধার সহ চোরাইকৃত আরো ৭ টি গরু উদ্ধার করেন। এবং এই চুরির সাথে জড়িত একই উপজেলার বাসিন্দা হাজী আব্দুস ছত্তার এর ছেলে আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য ইরন মিয়া (৪৫) কে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন। উদ্ধারকৃত এই ৯ টি গরুর বাজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। গ্রেপ্তারকৃত আসামী অর্থাৎ গরু চোর ইরন মিয়া (৪৫) পুলিশ এর জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, এই মামলার বাদী নূর উদ্দিন এর তিনটি গরু সহ অন্যান্য আরো ৭ টি গরু তার সহযোগী পলাতক আসামী আতিক মিয়া ও রাজিক মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনের সহযোগীতায় চুরি করিয়াছে। তারা অনেক দিন ধরে বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করিয়া অন্য এলাকায় বিক্রি করে আসিতেছে।
এ বিষয় এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথপুর থানার এসআই মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম তালুকদার।