স্টাফ রিপোর্টারঃ
জগন্নাথপুর এর পল্লীতে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। তমধ্যে ১৩ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। ৭ জনকে আটক করা হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানাযায়, বিগত ৩ রা ডিসেম্বর রোজ রবিবার সকালে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত কুবাজপুর গ্রাম নিবাসী মজিদ মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (২৬) ও মোতাহির আলীর ছেলে মঞ্জুর মিয়ার ছেলে (২৫) মধ্যে ফুটবল খেলা নিয়ে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এবং উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। পরে ৪ ডিসেম্বর স্থানীয়দের মধ্যস্থতায় বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হয়। এরই জের ধরে ৫ ই ডিসেম্বর সকাল ১০ ঘটিকার সময় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই সংঘর্ষে উভয় পক্ষের প্রায় ৩০ জন আহত হয়েছেন। তমধ্যে আহত রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ এর মেম্বার মিলাদ মিয়া(২৮),ইউসুফ মিয়া(২৮),হাসান মিয়া(২৭),ইজাজ মিয়া(৪০),সাজ্জাদুর (৭৮),সুহেল (৩০), ফারকাজ(৪০),গোলাপ আলী(৩৫),নাহিম(২৩), খলিল (৩০),লোবন(৩৪) মোহিমা বেগম(৩৫) ও শানুর আলী(২১) সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। অপর আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানার এসআই সাইফুদ্দীন এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে এসেছে।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ গণমাধ্যমকে বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এবং ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।