শান্তিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত, ৬ জন আহত, গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশিত: ৬:৪৪ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২৬

শান্তিগঞ্জে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ১ জন নিহত, ৬ জন আহত, গ্রেপ্তার ৩

স্টাফ রিপোর্টারঃ

শান্তিগঞ্জের পল্লীতে দু’পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রুস্তম (৩৫) নামক এক ব্যক্তি নিহত ও অন্তত ৬ জন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়, সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার ২নং জয়কলস ইউনিয়নের আস্তমা গ্রাম নিবাসী নজিব আলী (৭০) পক্ষ ও একই গ্রাম নিবাসী আরিছ আলী (৫৫) পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ ও মনোমালিন্য চলে আসছিল। এরই জের ধরে ১৪ জুলাই রোজ মঙ্গলবার সন্ধ্যা প্রায় সাত ঘটিকার সময় আস্তমা পয়েন্টে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে একই দিন রাত প্রায় ১০ ঘটিকার সময় আস্তমা পয়েন্ট থেকে কিছু দূরে নজিব আলীর বাড়ির পার্শ্ববর্তী মোবাইল টাওয়ারের সামনে পুনঃরায় উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র -শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৬ জন আহত হন। স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আরিছ আলী পক্ষের রুস্তম আলী(৩৫)কে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ পৌঁছে অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা গ্রাম নিবাসী মৃত মনফর আলীর ছেলে নজিব আলী(৭০), একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম এর ছেলে রাসেল আহমদ ও ছাতক উপজেলার খুরমা ইউনিয়নের কঠালপুর নোয়াগাঁও গ্রামের মৃত আশ্রব আলীর ছেলে জুয়েল মিয়া(৩৭)কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতদের ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা মোতাবেক আটক করে ১৫ জুলাই যথাযথ পুলিশ স্কটের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে থানা পুলিশ।
এ ব্যাপারে শান্তিগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ অলিউল্লাহ বলেন, পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের আস্তমা গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন। এবং উভয় পক্ষের আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে, যার মধ্যে একজন আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু সহ তাহাদেরকে ৫৪ ধারা মোতাবেক গ্রেপ্তার করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ও ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এজাহার প্রাপ্তি সাপেক্ষে নিয়মিত মামলা রুজু করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ