জগন্নাথপুরে সুপারিন্টেন্ডেন্ট এর বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরি, থানায় অভিযোগ

প্রকাশিত: ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৩, ২০২৬

জগন্নাথপুরে সুপারিন্টেন্ডেন্ট এর বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরি, থানায় অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

জগন্নাথপুরে হাজী রঙ্গুম আলী আটপাড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এর বসত বাড়ীতে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। অজ্ঞাতনামা চোরেরা নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ পত্র সুত্রে জানাযায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলাধীন পাড়াগাঁও গ্রাম নিবাসী হাজী রঙ্গুম আলী আটপাড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ এর সুপারিন্টেন্ডেন্ট শাহজাহান মিয়া (৩৫) বিগত ১১ ই জুলাই রোজ শনিবার দুপুর প্রায় ২ ঘটিকার সময় নিজ বসত ঘর তালাবদ্ধ করে পরিবার সকলকে নিয়ে তিনি শ্বশুরালয়ে গিয়েছিলেন। পরদিন ১২ ই জুলাই রোজ রবিবার দুপুর প্রায় ১ঘটিকার সময় সুপারিন্টেন্ডেন্ট শাহজাহান মিয়া বাড়ীতে এসে দেখেন বসত ঘরের পিছনের দরজা-খোলা রয়েছে। এবং ঘরের ভিতরে প্রবেশ করিয়া দেখেন যে, ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। ঘরের ভেতরের শোকেস এবং ওয়ার্ডরোবের তালা ভাঙা অবস্থায় পড়ে আছে। এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার ও পেশাগত বিভিন্ন সার্টিফিকেট রাখার ব্যাগ ও গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র মেঝেতে ছড়ানো-ছিটানো রয়েছে। ব্যাগের ভেতরে রাখা শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাগত স্তরের মূল সার্টিফিকেটসমূহ, শোকেসের ড্রয়ারের তালা ভেঙে ভেতরে সংরক্ষিত থাকা আনুমানিক আধা ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১,২৫,০০০ টাকা, নগদ প্রায় ১৪,০০০টাকা (চৌদ্দ হাজার টাকা মাত্র) এবং তাহার ছোট মেয়ের সঞ্চয়ের ছোট ব্যাংকে সংরক্ষিত আনুমানিক ১৫,০০০ টাকা (পনেরো হাজার টাকা মাত্র), একটি এন্ড্রয়েট সামসং মোবাইল সেট যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৫,০০০/-টাকা, শাহজাহান মিয়ার ব্যবহৃত বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, এক্সিম ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া-এর কয়েকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চেক বই, ওয়ার্ডরোবের ড্রয়ারে সংরক্ষিত থাকা আমার কর্মস্থল অর্থাৎ স্কুলের এক জুটা চাবি ঘরের ভিতরে নেই। পরবর্তীতে তিনি আশ-পাশের লোকজনদের বিষয়টি অবহিত করেন। এ বিষয়ে সুপারিন্টেন্ডেন্ট শাহজাহান মিয়া বাদী হয়ে ১২ ই জুলাই অজ্ঞাতনামা চোরদের বিরুদ্ধে জগন্নাথপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ ব্যাপারে সুপারিন্টেন্ডেন্ট শাহজাহান মিয়া বলেন, ঘটনার দিন অর্থ্যাৎ ১১ জুলাই রোজ শনিবার দুপুর প্রায় ২ ঘটিকা হইতে পরদিন ১২ ই জুলাই রোজ রবিবার দুপুর প্রায় ১ ঘটিকার মধ্যবর্তী যেকোন সময় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা আমার বসত ঘরের পিছনের টিনের দরজা সু-কৌশলে খুলিয়া ঘরের ভিতরে প্রবেশ করিয়া নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার, মোবাইল সেট, জরুরী ডকুমেন্ট চুরি করিয়া নিয়া গিয়াছে। এমতাবস্থায় উক্ত চুরির ঘটনার পর আমি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি কলকলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহোদয়, আমার আশ-পাশের প্রতিবেশী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানাইয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। উপরোক্ত বিষয়টি সু-বিবেচনা পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরদাবী জানাচ্ছি।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ