প্রকাশিত: ১১:১২ অপরাহ্ণ, মার্চ ১১, ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি
ইউএস বি ডেস্কঃ
মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সংঘাত কবে শেষ হবে, তা জানতে বিশ্ববাসী যখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছে তখন আরও একবার বড় মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
১১ মার্চ রোজ বুধবার সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরানে নতুন করে হামলা চালানোর মতো লক্ষ্যবস্তু প্রায় শেষ হয়ে গেছে এবং তিনি চাইলে যেকোনো সময় এই যুদ্ধ বন্ধ করতে পারেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘দেশটিতে (ইরান) কার্যত টার্গেট করার মতো আর কিছুই বাকি নেই। আমার মনে হয় যুদ্ধ খুব শীঘ্রই শেষ হবে।’
নিজের ক্ষমতার ওপর জোর দিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি যখনই চাইব এটি (যুদ্ধ) শেষ হোক, তখনই এটি (যুদ্ধ) শেষ হবে।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক হামলা শুরু করে। হামলার প্রথম দিনই নিহন হন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। পাল্টা জবাব দেয় ইরানও। ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনাগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামালা শুরু করে ইরানের সামরিক বাহিনীও।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও অবকাঠামোর ওপর অভাবনীয় ক্ষতি সাধনে সক্ষম হয়েছে। তিনি এই অভিযানকে গত ৪৭ বছরের ‘অন্যায় ও ধ্বংসযজ্ঞের’ জবাব হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তবে ট্রাম্প যখন যুদ্ধ শেষের বার্তা দিচ্ছেন, তখন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ ভিন্ন সুর বজায় রেখেছেন। বুধবার তিনি জানিয়েছেন, লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়াই চলবে। অন্যদিকে, ইরানও দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের হুমকি দিয়ে রেখেছে, যা বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন যে, মার্কিন সামরিক অভিযান নির্ধারিত সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে রয়েছে এবং তিনি বর্তমানে ইরানে একটি নতুন ও ‘গ্রহণযোগ্য’ নেতৃত্ব প্রত্যাশা করছেন।
নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক – তৌফিকুল আম্বিয়া টিপু
বার্তা সম্পাদক- হুমায়ূন কবীর ফরীদি
বাংলাদেশ কার্যালয়- কলকলিয়া বাজার, জগন্নাথপুর, সুনামগন্জ।
প্রধান কার্যালয়- ৮২৪ মেইন স্রীট, মেনচেষ্টার, কানেকটিকাট- ০৬০৪০, যুক্তরাষ্ট্র।
ফোনঃ ০১৭১৭৯৩১৬৫৮(বিডি) +১৮৬০৭৯৬৭৮৮৮(ইউএসএ)
ইমেইলঃ usbanglabarta@gmail.com
Design and Developed by Web Nest