প্রকাশিত: ১০:১৯ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২, ২০২৬
সাহেদুর আহমদ, জৈন্তাপুর( সিলেট) প্রতিনিধিঃ
জৈন্তাপুর উপজেলার সারি-৩ বালুমহাল থেকে বড় গাং বালুমহালের ইজারাদার কর্তৃক অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রশাসনের উদ্যোগে সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিদর্শনে সারি-৩ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পরিদর্শন দলে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি), জৈন্তাপুর; সহকারী পরিচালক (এডি), ১৯ বিজিবি, আখালিয়া, সিলেট এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। তারা সারি-৩ বালুমহাল ও বড় গাং বালুমহাল ঘুরে দেখেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সারি-৩ নদী বালুমহাল থেকে কোনো বালু উত্তোলন করা হচ্ছে না। অন্যদিকে বড় গাং বালুমহালের ইজারাদার তাদের নির্ধারিত ইজারাকৃত এলাকা থেকে বালু উত্তোলন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
এ সময় অভিযোগকারীদের উপস্থিত কয়েকজনকে সারি-৩ বালুমহালের কোন স্থান থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, সারি-৩ থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে না। তবে বড় গাং বালুমহালের বালুবাহী নৌকাগুলো ওই নদীপথ ব্যবহার করে সারিঘাটে যাতায়াত করে।
বড় গাং বালুমহালের ইজারাদাররা জানান, তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, সিলেট থেকে বৈধভাবে বালুমহাল ইজারা নিয়েছেন এবং নির্ধারিত এলাকা থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন। তাদের দাবি, বড় গাং বালুমহালের সারিঘাটে পৌঁছানোর জন্য সারি-৩ নদীপথই একমাত্র চলাচলের পথ।
তারা আরও বলেন, সারি-৩ বালুমহাল থেকে বালু উত্তোলনের ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ওই নদীপথে নৌযান চলাচলের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হওয়ায় তারা জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ এবং নৌযান চলাচল বিষয়ে লিখিত নির্দেশনা চেয়েছেন। পূর্বেও একই বিষয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে নদীপথে নৌকা চলাচলে কোনো আপত্তি নেই বলে লিখিতভাবে জানানো হয়েছিল বলে তাদের দাবি।
ইজারাদারদের অভিযোগ, কিছু ব্যক্তি বিভিন্নভাবে তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ দাবি করছেন। তারা বলেন, বৈধভাবে ইজারা নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করলেও অযৌক্তিকভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত সহকারী পরিচালক (এডি), ১৯ বিজিবি, আখালিয়া, সিলেট জানান, অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে বিজিবি সদা তৎপর রয়েছে।
সহকারী কমিশনার (ভূমি), জৈন্তাপুর জানান, সারি-৩ নদী বালুমহাল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেলে উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, এর আগেও অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিকদের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ এবং অবৈধ কার্যক্রমের বিষয়ে তথ্য দিয়ে প্রশাসনকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।
নির্বাহী সম্পাদক ও প্রকাশক – তৌফিকুল আম্বিয়া টিপু
বার্তা সম্পাদক- হুমায়ূন কবীর ফরীদি
বাংলাদেশ কার্যালয়- কলকলিয়া বাজার, জগন্নাথপুর, সুনামগন্জ।
প্রধান কার্যালয়- ৮২৪ মেইন স্রীট, মেনচেষ্টার, কানেকটিকাট- ০৬০৪০, যুক্তরাষ্ট্র।
ফোনঃ ০১৭১৭৯৩১৬৫৮(বিডি) +১৮৬০৭৯৬৭৮৮৮(ইউএসএ)
ইমেইলঃ usbanglabarta@gmail.com
Design and Developed by Web Nest