জগন্নাথপুরে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ

প্রকাশিত: ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ, মে ৪, ২০২৬

জগন্নাথপুরে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগ

 

হুমায়ূন কবীর ফরীদি##

জগন্নাথপুরে উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষক শামসুল হুদার বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সুত্রে জানাযায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত আল জান্নাত ইসলামিক এডুকেশন ইনস্টিটিউট কামিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক শামসুল হুদা উপবৃত্তির প্রলোভন দেখিয়ে এই প্রতিষ্ঠান এর এক ছাত্রীকে ২ রা মে রোজ শনিবার মাদ্রাসা বন্ধ থাকা সত্ত্বেও উপবৃত্তির ফরম পূরণের কথা বলে আলিম প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে ডেকে আনেন। শিক্ষক মিলনায়তনে ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন তিনি। ভুক্তভোগী ছাত্রী সুকৌশলে কথিত শিক্ষক এর রোষানল থেকে পালিয়ে বাড়ি গিয়ে বিষয়টি স্বজনদের অবহিত করেন। তৎক্ষনাৎ এই ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যার দিকে উত্তেজিত এলাকাবাসী এই শিক্ষককে আটক করে মাদ্রাসায় গণধোলাই দেন। বর্তমানে তিনি সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন অভিযুক্ত শিক্ষক শামসুল হুদা। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি আরো জানান , লম্পট শিক্ষক সামসুল হুদার বিরুদ্ধে এর আগেও অভিযোগ ছিল। ২০১৫ সালে যোগদানের পর মুঠোফোনে আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের দায়ে থানায় অভিযোগ হলে তিনি বরখাস্ত হয়েছিলেন। এক প্রশ্নের জবাবে তারা আরো বলেন, মাদ্রাসা কমিটির কিছু লোককে ম্যনেজ করে এই শিক্ষক মাদ্রাসার শিক্ষককতায় বহাল তবিয়তে ছিলেন। এই দুষ্কৃতকারী শিক্ষক এর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়া দরকার।
এবিষয়ে জানতে মাদ্রাসা সুপার এর মুঠোফোনে ফোন দিলে নেটওয়ার্ক সমস্যার জন্য যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে মুঠোফোনে আলাপকালে জগন্নাথপুর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার অরুপ কুমার রায় বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও ন্যাক্কারজনক। একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।
এ ব্যাপারে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইসলাম উদ্দিন বলেন, এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি একটি ট্রাস্টি বোর্ড পরিচালনা করছে। মাদ্রাসা সুপারসহ সংশ্লিষ্টদের ইতোমধ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখেন।

 

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ